মঙ্গলবার, ৩রা নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৮:০২
শিরোনাম :
মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ! বিএম কলেজে ছাত্রীদের জন্য পৃথক পাঠকক্ষ উদ্বোধন করলেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজী জাবের আহমেদ রাজধানীতে সাত রুটে কোম্পানিভিত্তিক ৮৬১ বাস চালু ৩ দাবিতে ৪ নভেম্বর মাঠে নামছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মেহেন্দিগঞ্জের পর এবার বাকেরগঞ্জে জামায়াতকর্মী সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদানের নাটক দারাজের ‘টপ অ্যাফিলিয়েট অ্যাওয়ার্ড’ ও ‘অ্যাফিলিয়েট স্টার’ সম্মাননা পেলেন ফ্রিল্যান্সার আসিফ আলী

লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে গুরুতর সংকট মোকাবিলা করছে বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট ।। মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুত লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে মানবিক বিবেচনায় আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর সংকট মোকাবিলা করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজের কার্যালয়ে মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত জুলি ইসাবেল বিশপের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বৈঠকে মিয়ানমারের চলমান রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি, রোহিঙ্গা সংকটের বিভিন্ন দিক এবং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা হয়।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের জেরে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ আশ্রয় দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই মানবিক সংকটের চাপ মোকাবিলা করতে হচ্ছে দেশটিকে। এর একটি স্থায়ী ও টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে।

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত জুলি বিশপ মিয়ানমারের সংঘাতময় পরিস্থিতি তুলে ধরেন। সংঘাত বন্ধ করা এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রাখার কথা জানান তিনি।

বৈঠকে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় স্থলমাইনের বিস্তার, মানবপাচার ও মাদকপাচার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এসব সমস্যার আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব নিয়েও আলোচনা করেন বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা।

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ লক্ষ্য অর্জনে রাজনৈতিক সংলাপ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।

সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেজনিয়াক, সিনিয়র পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার ডানকান কিথ উইলসন এবং ইউএনএইচসিআরের উপপ্রতিনিধি জুলিয়েট মুরেকিয়সোনি উপস্থিত ছিলেন।